প্রত্যেক ফসল মাড়াই মৌসুমেই কৃষক মজিদের বাড়ির আঙ্গিনায় খড়কুটা, চিটা ও লতাপাতা ইত্যাদি আবর্জনায় ভরে যায়। এতে বাড়ির চারপাশের পরিবেশ নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়ে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শক্রমে মজিদ উক্ত আবর্জনার সদ্ব্যবহারের পদ্ধতি গ্রহণ করলেন এবং তার কৃষি জমিতে এগুলো প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিলেন।
কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শক্রমে মজিদ বাড়ির আঙিনার আবর্জনাগুলোকে জৈব সারে রূপান্তরের 'সিদ্ধান্ত নেয়। এ সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের ফলে মজিদ যেসব সুবিধা পাবে তা হলো—
১. জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাবে।
২. রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমে যাবে। ফলে উৎপাদন খরচ কমে যাবে। ফলে উৎপাদন
৩. জমির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সেচ কম লাগবে।
৪. ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
৫. বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে।
এসব সুবিধা প্রাপ্তির কারণে মজিদের কৃষি কাজ অনেক সহজ ও লাভজনক হবে। সহজেই সে তার উৎপাদনকালীন কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারবে।
ফসল উৎপাদনে কৃষি উপকরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি উপকরণগুলোর মধ্যে মাটি, পানি, বীজ, সার উল্লেখযোগ্য। কোন মাটিতে কোন ফসল জন্মাবে, ভালো বীজের বৈশিষ্ট্যগুলো কেমন, ফসলে সেচের দরকার আছে কি না, অতিরিক্ত পানি ফসলের ক্ষতি করছে কি না, জমিতে কী কী সার প্রয়োগ করা দরকার, এসব সম্পর্কে আমরা এ অধ্যায়ে বিস্তারিত জানব।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?